মানুষের স্বপ্ন কখনো শেষ হয় না, একের পর এক চলতেই থাকে
এক্টা শিশু জন্মের পর থেকে তার বাবা-মা স্বপ্ন দেখা শুরু করে, তার সন্তান বড় হয়ে ডাক্তার হবে ইঞ্জিনিয়ার হবে। আর সেই প্রভাবটা পরে তার সন্তানের উপর, সেই সেও ভাবে যে আমি বড় হয়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হবো।
কিন্তু যখন সে মাধ্যমিক পাশ করে, তখন তার সেই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার ভুত মাথা থেকে নেমে যায়। নতুন করে ভাবতে শুরু করে বাবা-মার সেই ছোট্ট ছেলেটি আমি দেশের যে কোনো এক্টি সরকারি বাহিনীতে চাকরি করবো।
সেই আশা টুকুও যখন থাকে না তখন সে হতাশ হয়ে পড়ে।
যখন জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পাশের সার্কুলার দেয়, অফিস সহায়ক,ক্লিনার কিংবা ড্রাইভ তখন সেই পদের জন্যও এপ্লিকেশন ফর্ম কিনতে যায় অনার্স ডিগ্রি মাস্টার্স কিংবা বিসিএস পরিক্ষায় ফেল করা প্রার্থীরা কেউ কেউ আবার কোনো ব্যবসা বা ছোট খোট চাকরিও করছেন এমন ।
সেখানে তাদের সাথে কিভাবে জুনিয়র সার্টিফিকেট বা মাধ্যমিক পাশ করা একজন লোক প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে?
তারা কিভাবে এই কাজের জন্য আবেদন করে?
মানুষের মাঝে কতটুকু বোধ জ্ঞান থাকলে তারা এ কাজ করতে যায়, যারা কিনা মাস্টার্স ডিগ্রি ধারী। তবে এ জ্ঞান বোধ এসময়েরই না, বরং এটি আমাদের যুগের পর যুগের। সরকারি চাকরি সোনার হরিন!
মূলত সরকারি চাকরি সোনার হরিন হয়ে উঠার পেছনে একজাতি কুলাঙ্গার লোকদের হাত রয়েছে, তারা টাকার বিনিমেয় চাকরিতে লোক নিয়োগদান করিয়ে দেয়।
"তোমার যেহেতু সামর্থ্য আছে টাকা দিয়ে চাকরি নেওয়ার তাহলে তুমি কেন এইসব চাকরি যাও, কেন খেটে খাওয়া লোক গুলোর রিজিক তুমি কেরে নিচ্ছো?"
নিজেকে পরিবর্তন করতে শিখো, নিজেই নিজেকে প্রতিষ্টিত করো, কর্ম কখনো ছোট হয় না, এখন স্বল্প আয় নিয়েও অনেক কিছু করা যায়, জীবিকা নির্বাহ করা যায়।
ইচ্ছা শক্তি কখনো হারাতে নেই।


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন